Archive for June, 2011

June 16th, 2011

 এবার কাউন্টিতে তামিম

মুক্তকণ্ঠ ডেস্ক

দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান আগেই নাম লিখিয়েছিলেন উস্টারশায়ারে। এবার সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবাল চুক্তিবদ্ধ হলেন নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে। ডেভিড হাসির বিকল্প হিসেবে তামিমের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইংলিশ ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই ক্লাবটি।

কাউন্টিতে তামিম

২৬ জুন ল্যাংকাশায়ারের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবেন ডেভিড হাসি। এরপর নটিংহ্যামের হয়ে ছয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবেন তামিম ইকবাল। বাঁ-হাতি এই বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানকে দলে ভেড়াতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নটিংহ্যামের কোচ মিক নিউয়েল। তিনি বলেছেন, ‘ডেভিড হাসি আমাদের পক্ষে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তবে তাঁর বিকল্প হিসেবে তামিম ইকবালের মতো ভালো একজন ব্যাটসম্যানকে পেয়ে আমরা খুবই খুশি। অল্প সময়ের মধ্যে ভালোমানের বিদেশি খেলোয়াড় পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। তামিম একজন অসাধারণ ক্রিকেটার। এত অল্প বয়সেই সে যেভাবে নিজেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করেছে, সেটা অনেকের জন্যই ভালো দৃষ্টান্ত হতে পারে।’

কাউন্টি ক্রিকেটের অঙ্গনে পা রাখতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তামিমও। তিনি বলেছেন, ‘পেশাদারি ক্রিকেট খেলা শুরুর পর থেকেই ইংলিশ কাউন্টিতে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলাটা আমি সব সময়ই খুব উপভোগ করি। আর এখন নটিংহ্যামশায়ারের মতো একটা সেরা ক্লাবের হয়ে খেলতে পারাটা আমার জন্য একটা বিশাল অর্জন। আমি ক্লাবের ও সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ ক্রিকইনফো।

June 16th, 2011

 টুকিটাকি

মহাকাশে কসমিক রশ্মি শনাক্ত করার যন্ত্র

সৌরজাগতিক নাক
বিজ্ঞানীরা সমস্বরে বলছেন, আটটি গ্রহ নিয়ে গড়া এই সৌরজগতেরও নাক আছে! সূর্য ছায়াপথে পরিভ্রমণ করায় সৌরঝড় ও নাক্ষত্রিক গ্যাসের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ফলে সৌরজগতের চারদিকে হেলিওস্ফেয়ার নামে একটি অঞ্চলের সৃষ্টি হয়। অঞ্চলটির ধারকে হেলিওপজ বলে।
সূর্য থেকে হেলিওপজ ৯০০ কোটি মাইল (এক হাজার ৪৫০ কোটি কিলোমিটার প্রায়) দূরে অবস্থান করে। ইন্টারস্টেলার বাউন্ডারি এক্সপ্লোরার স্যাটেলাইট থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এই কৃত্রিম উপগ্রহ ২০০৮ সাল থেকে কাজ করছে।
ছায়াপথে সূর্যের চলার পথ চিত্রায়িত করতে গিয়ে নাসার একদল নভোচারী ওই অঞ্চলকে ‘নাক’ আকৃতির বলে অভিহিত করেন। মানে এটা হলো ‘সৌরজগতের নাক’।

মহাকাশে কসমিক রশ্মি ডিটেক্টর স্থাপন
২৬ মে নাসার খেয়াযান এন্ডিয়েভারের নভোচারীরা মহাকাশে সফলভাবে কসমিক রশ্মি শনাক্তকারী যন্ত্র (ডিটেক্টর) স্থাপন করেন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে স্থাপিত এ ডিটেক্টরের মূল্য ২০০ কোটি ডলার। অ্যান্টিম্যাটার ও ডার্ক ম্যাটারের খোঁজে এই ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে। সাত টন ওজনের এই আলফা ম্যাগনেটিক স্পেকট্রোমিটার স্থাপনের মিশন নাসা ১৯৯৪ সালে শুরু করে। ডিটেক্টরের আটটি অংশ ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীতে তথ্য পাঠাতে সক্ষম। পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী (১৯৭৬) ম্যাসাসুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) অধ্যাপক স্যামুয়েল টিং ১৬টি দেশের ৬০০ জন বিজ্ঞানীর দল নিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই বৃহৎ ডিটেক্টর পৃথিবীতে তথ্য পাঠাতে শুরু করবে। খেয়াযান এন্ডিয়েভারের কমান্ডার মার্ক কেলি ছয়জন নভোচারী নিয়ে এই মিশনে অংশ নেন।

সবচেয়ে বয়স্ক পান্ডার মৃত্যু
তৃণভোজী প্রাণী পান্ডা সাধারণত ১৫ থেকে ২২ বছর বাঁচে। সবচেয়ে বেশি বয়স্ক পান্ডা বাস করত চীনে। চীনের গোয়াংডং প্রদেশের চিড়িয়াখানায় ৩৪ বছর বয়সী মিং মিং নামের পান্ডার বয়স ছিল সবচেয়ে বেশি। কিডনি জটিলতার কারণে মিং মিং ১৭ মে মারা যায়।

নাসার লবণ গবেষণা শুরু
মহাকাশ সংস্থা নাসা চলতি জুন মাসের মধ্যে পৃথিবীর লবণাক্ততা-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে। ৯ জুন ৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার দামের এক্যুয়ারিস/এসএসি-ডি নামের এই কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হবে। পৃথিবী থেকে ৪০৮ মাইল দূরে থেকে এটি সমুদ্রে লবণাক্ততা নিয়ে জলবায়ু গবেষণায় কাজ করবে।

নতুন জীবাশ্ম আবিষ্কার
সম্প্রতি জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয়েছে চার কোটি ৭০ লাখ বছরের পুরোনো টিকটিকির জীবাশ্ম। গবেষকেরা এই জীবাশ্মকে পরিবর্তিত বা ট্রানজিশনারি প্রাণী বলে ধারণা করছেন। জীবাশ্মে টিকটিকি ও সাপের বৈশিষ্ট্যের মিশ্রণ আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফসিলবিজ্ঞানী জোহানেস মুলারের নেতৃত্বে কানাডার টরন্টো মিসইসাউগা বিশ্ববিদ্যালয় ও বার্লিন ন্যাচারাল হিস্টোরি মিউজিয়ামের গবেষক দল টিকটিকির এই জীবাশ্ম আবিষ্কার করে। ‘ক্রিপ্টোল্যাসের্টা হ্যাসিয়াকা’ নামের এই জীবাশ্মের দৈর্ঘ্য তিন ইঞ্চির কম। জীবাশ্মটি আবিষ্কৃত হয়েছে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের মেজেল পিট অঞ্চলে।
জাহিদ হোসাইন ও মোস্তাকিম আলী

June 16th, 2011

মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট ত্রাণ কার্যক্রম

বাংলাদেশের দুর্যোগকবলিত, এসিডদগ্ধ মানুষের জন্য মুক্তকণ্ঠ ত্রাণ তহবিল গঠিত হয়। বন্যা, সিডর, আইলা, শৈত্যপ্রবাহসহ বিভিন্ন দুর্যোগে আর্তমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছে মুক্তকণ্ঠ ত্রাণ তহবিল।

June 16th, 2011

গ্যালারি

June 16th, 2011

মুক্তকণ্ঠ বিজ্ঞাপন নীতিমালা

১. যেকোনো বিজ্ঞাপন ছাপানো অথবা বন্ধ করার অথবা বিশেষ বা জরুরি কারণে এক দিন আগে-পরে প্রকাশের ব্যাপারে মুক্তকণ্ঠ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
২. বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু অবশ্যই তিন দিন আগে মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে।
৩. প্রতিটি বিজ্ঞাপন ছাপানোর জন্য অবশ্যই ছাপানোর কার্যাদেশ (ইনসারশন অর্ডার) দিতে হবে।
৪. প্রতিটি বিজ্ঞাপন নির্দষ্টি মূল্যপ্রাপ্তির পরই বিজ্ঞাপন ছাপানো হয়।
৫. আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে আমরা বিজ্ঞাপন বুকিং নিয়ে থাকি।
৬. কোনো বিজ্ঞাপন বাতিল করার সর্বনম্নি সময় হচ্ছে ১ (এক) দিন।

মুক্তকণ্ঠ অনলাইন এডিশনে বা ব্লগে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন

যোগাযোগের ঠিকানা
মুক্তকণ্ঠ
বিজ্ঞাপন বিভাগ
ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ই-মেইল: advertisement@muktokantha.com
ওয়েবসাইট: www.muktokantha.com

June 16th, 2011

এক্স-রের জানা-অজানা

এক্স-রে

এক্স-রে কী?
সহজভাবে এক্স-রে হচ্ছে একধরনের কৃত্রিমভাবে তৈরি তেজস্ক্রিয় রশ্মি, যা দিয়ে মানবদেহের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং স্থানভেদে চিকিৎসাও প্রদান করা হয়। এটি রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ ডব্লিউ সি রোয়েন্টজেন এটি আবিষ্কার করেন।
এক্স-রের মাত্রা
রেগুলেশন ১৯৯৯ অনুযায়ী যেকোনো সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে এ মাত্রা সারা বছরে এক মিলি সিভার্টের অনধিক। তবে যত কম তেজস্ক্রিয় বিকিরণের কাছে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।
এক্স-রে কি ক্ষতিকর?
অবশ্যই। যদিও শরীর অল্পদিনের মাঝেই সে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি অপূরণীয়। এতে শরীরের স্থায়ী কোষ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, মাত্র একটি এক্স-রে কণা একটি মূল্যবান কোষ ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। তবে সবসময় সবারই যে একই রকম ক্ষতি হবে বা হবেই বা এটা তর্কসাপেক্ষ।
এর ফলাফল কি?
যদি মানব ভ্রূণ সৃষ্টির শুরুতে কোন কোষ নষ্ট হয়, এর প্রভাব ওই শিশুটির ওপর পড়তে পারে। শিশুটি বিকলাঙ্গ হয়ে জন্ম নিতে পারে অথবা হতে পারে মানসিক প্রতিবন্ধি। আবার কারণে অকারণে বারবার এক্স-রে করালে শরীরের জনন কোষগুলোর (শুক্রাশয় বা ডিম্বাশয়) ওপর এর প্রতিক্রিয়ার কারণে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে যারা এক্স-রের সংস্পর্শে থাকেন বা থাকবেন তাদের ত্বকের ক্যানসার, লিউকোমিয়া, চোখে ছানি পড়া, খাদ্য নালীর ক্যানসার ইত্যাদি হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।
তাহলে কি এক্স-রে করা যাবে না?
অবশ্যই যাবে। এটি একটি অল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে অতি প্রয়োজনীয় একটি পরীক্ষা। উন্নত বিশ্বে যে কেউ ইচ্ছে করলেই এক্স-রে পরীক্ষা লিখতে বা করাতে পারে না। এ ক্ষমতা সেখানে নির্দিষ্ট কিছু ডাক্তারের হাতে থাকে। আমাদের দেশে যত্রতত্র এর ব্যবহার হয়ে থাকে, তাই আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে অনেকাংশে-এর খারাপ প্রতিক্রিয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারব।
মো. ফরহাদ হোসেন
সহকারী অধ্যাপক, রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগ
সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, সিলেট।

June 16th, 2011

সপ্তাহের শেষ দিনেও বাজারে দরপতন

দরপতন দিয়েই পুঁজিবাজারে সপ্তাহটি শুরু হয়েছিল। আর শেষও হয়েছে দরপতন দিয়ে। এর ফলে সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই দরপতন ঘটেছে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)।
২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর পুরো সপ্তাহটি ছিল বেশ আলোচিত। প্রথম কার্যদিবস রোববারই বাজেট-পরবর্তী বিনিয়োগকারীদের হতাশার প্রতিফলন ঘটে বাজারে। ওই দিন বড় ধরনের দরপতন ঘটে বাজারে। রোববার ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ৩১৩ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সোমবার সেখানে সূচকের কিছুটা উল্লম্ফন দেখা যায়। তবে পরের তিন কার্যদিবসের প্রতিদিনই সূচক একটু একটু করে কমেছে।
সপ্তাহের শেষ দিনে এসে গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইর সাধারণ সূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৭৭৬ পয়েন্টে। যদিও দিনভর ডিএসইর সাধারণ সূচক বেশ কয়েক দফা ওঠানামা করেছে। লেনদেন শুরুর প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যেই ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৮৫৫ পয়েন্টে। সেটিই ছিল সূচকের গতকালের সর্বোচ্চ অবস্থান।
সূচক কমেছে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৩৪ পয়েন্টে।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত, নতুন বাজেটে শেয়ারবাজারের জন্য আলাদা কোনো ঘোষণা না থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে এর প্রতিফলনও বাজারে পড়েছে।
তবে সপ্তাহের চার কার্যদিবসে বাজারে দরপতনের সুযোগ নিয়েছেন অনেক বিনিয়োগকারী। বাজেট ঘোষণার আগে যেসব বিনিয়োগকারী বাজার থেকে টাকা তুলে নিয়েছিলেন, পতনের কারণে তাঁরা আবারও নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত।
এদিকে গতকাল দুই বাজারেই লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তবে এ দিন ঢাকার বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও চট্টগ্রামে তা কমেছে।
ডিএসইতে গতকাল ২৫৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১২৬টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ১১১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ৪৮৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১১ কোটি টাকা বেশি।
সিএসইতে গতকাল ১৭৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৯৮টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৬১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে চট্টগ্রামের বাজারে ৬২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ কোটি টাকা কম।
বাজারচিত্র থেকে দেখা যায়, দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় সূচকের উত্থান-পতন ঘটলেও শেষ দুই ঘণ্টায় মূল্যসূচক ছিল নিম্নমুখী।

June 16th, 2011

 জাপানের মনবুকাগাকাশো বৃত্তি

জাপান সরকার ২০১২ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিভাগে বৃত্তি দেবে। আবেদন করতে হবে আগামী ৩ মের মধ্যে। জাপান সরকার স্পেশালাইজড ট্রেনিং কলেজ, আন্ডার গ্র্যাজুয়েট, কলেজ অব টেকনোলজি, রিসার্চ মাস্টার্স এবং পিএইচডি পর্যায়ে বৃত্তি প্রদান করবে। এই বৃত্তি পেতে আগ্রহী প্রার্থীদের জাপানি ভাষা শেখার ইচ্ছা থাকতে হবে। এই বৃত্তির জন্য শুধু বাংলাদেশিরা আবেদন করতে পারবেন। তা ছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থতার প্রমাণ থাকতে হবে। বৃত্তির জন্য পূর্ণ বিবরণীসহ আবেদন করতে হবে ইংরেজিতে সাদা কাগজে। প্রার্থীরা আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পরীক্ষার সত্যায়িত নম্বরপত্র, সনদ এবং এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে। আবেদনকারীকে আবেদন খামের ওপর যে বিষয়ে বৃত্তির জন্য আবেদন করছেন, তা উল্লেখ করতে হবে। মনবুকাগাকাশো বৃত্তি-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.moedu.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা জাপান দূতাবাসে পাঠাবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জাপান দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই বৃত্তি-সংক্রান্ত আরও তথ্য জাপান দূতাবাসের শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মিসেস তামি রহমান ও হাসিনা ফেরদৌসীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা যাবে। ফোন নম্বর: ৮৮১০০৮৭।
আবেদনপত্র ‘নাজমুল হক খান, উপসচিব (বৃত্তি), কক্ষ নম্বর: ১৭০৬, ভবন নম্বর: ৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা ১০০০। ফোন: ৭১৬৫০৩২’ বরাবর পৌঁছাতে হবে।

June 16th, 2011

দিন বদলাবে মোবাইল ও ই-ব্যাংকিং

মোবাইল ও ই-ব্যাংকিং

এখন মানুষের ব্যস্ততার শেষ নেই। কম সময়ে মানুষ সঠিক সেবাটি পেতে চায়। আর এসব ক্ষেত্রে একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে মোবাইল ও ই-ব্যাংকিং, যা দিন বদলাতে সহায়তা করবে। গতকাল বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক ই-ব্যাংকিং ও মোবাইল কমার্স সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সার্ক আইসিটির সভাপতি শাফকাত হায়দার।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বক্তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন। এ সময় বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এর ফলে একদিক থেকে মানুষের যেমন সময় বাঁচবে, তেমনি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধসহ নানা ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। এ অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন—বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ, আল-ফালাহ্ ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব আইটি তসলিমুল হক, বিসিটিও ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকার, এয়ারটেল ইন্ডিয়ার হেড অব মোবাইল কমার্স শ্রীরমন জগন্নাথন, পাকিস্তানের এমসিবি ব্যাংকের হেড অব মোবাইল কমার্স কাসিফ শহীদসহ আরও অনেকে।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ই-ব্যাংকিং নিয়ে বক্তারা বলেন, ই-ব্যাংকিং শুধু সময়ই সাশ্রয় করে না, সঙ্গে সঙ্গে অর্থের সঠিক ও নিরাপদ সরবারহ নিশ্চিত করে।

ই-ব্যাংকিংয়ের সুবিধা নিয়ে মানুষ ঘরে বসেই বিভিন্ন লেনদেন করতে পারে। এ ছাড়াও জীবনের বিভিন্ন ধরনের চাহিদা পূরণ করতেও ই-ব্যাংকিং দারুণ সহায়ক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ই-ব্যাংকিং আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে বক্তারা মনে করেন। এ অধিবেশনে গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টের প্রধান শাহজাদ শহিদ, সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ ইন্ডিয়ার চেক পয়েন্ট সফটওয়্যার টেকনোলজিসের জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা পরামর্শক কপিল অবস্থি, জেডআরজি ইন্টারন্যাশনালের হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট আলী শামিম বক্তব্য দেন এবং বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাস্টমার অপারেশনসের প্রধান মনিতুর রহমান সঞ্চালক হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন। —মোছাব্বের হোসেন

June 16th, 2011

আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে নির্বাচন দিতে রাজি গাদ্দাফি

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তত্ত্বাবধানে তিন মাসের মধ্যে একটি সাধারণ নির্বাচন দিতে রাজি আছেন লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি। গতকাল বৃহস্পতিবার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল ইসলাম ইতালির একটি পত্রিকাকে এ কথা জানান।
সাইফ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে খুব দ্রুত একটি নির্বাচনের মাধ্যমে লিবিয়ার বর্তমান অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ। তিন মাসের মধ্যে আমরা নির্বাচন করতে পারব। আর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহল লিবিয়ায় উপস্থিত থাকতে পারেন।’ তিনি বলেন, পর্যবেক্ষক হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), আফ্রিকান ইউনিয়ন (এইউ), জাতিসংঘ এমনকি সামরিক জোট ন্যাটোও উপস্থিত থাকতে পারে।
সাইফ বলেন, ‘নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটা সুষ্ঠু হতে হবে এবং ভোট জালিয়াতি না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আমি নিশ্চিত, লিবিয়ার অধিকাংশ মানুষ আমার বাবার পক্ষে রয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে হেরে গেলে বাবা পদত্যাগ করবেন। কিন্তু দেশ ছেড়ে যাবেন না। তিনি লিবিয়ায় জন্মেছেন, লিবিয়াতেই মরবেন। এখানেই তাঁর কবর হবে।’ এএফপি ও রয়টার্স।