দেশের দশটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলতি বছর অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল বুধবার সারাদেশে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে। এবার ১০টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৫ দশমিক ০৮। গতবারের চেয়ে এবার পাসের হার দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। গতবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ২৮ শতাংশ।
গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশের একাদশ বছরে পাসের হার বৃদ্ধির পাশাপাশি জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও এবার বেড়েছে। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৮ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। এবার গতবারের চেয়ে ১০ হাজার ৭৬৫ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯ হাজার ৭৬৯ জন।
একইসঙ্গে ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), ডিপ্লোমা ইন কমার্স এবং এইচএসসি (ভোকেশনাল) ফাইনাল পরীক্ষার ফলও প্রকাশিত হয়েছে। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের গড় হার ৭২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যা গতবারের চেয়ে দশমিক ৫৪ শতাংশ বেশি। গতবার ৮ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ৮২ শতাংশ।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। এছাড়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ (ডিআইবিএস) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। শিক্ষা জীবনের দ্বিতীয় পাবলিক পরীক্ষা এইচএসসির ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কলেজগুলোতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে ওঠে প্রতিটি কলেজ প্রাঙ্গণ। ফল প্রকাশের পর অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা আবেগ-আপ্লুত হয়ে পড়ে। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আনন্দের বৃত্ত তৈরি করে শিক্ষার্থীরা। বাদ্য বাজিয়ে, হৈ-হুল্লোড় করে হাতে হাত রেখে নেচে-গেয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই মিষ্টির দোকানগুলোতে মিষ্টি কেনার ধুম পড়ে যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই শূন্য হয়ে যায় মিষ্টির ভাণ্ডারগুলো।
গতকাল দুপুর ২টায় কলেজগুলোর পাশাপাশি ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফল জানতে পারে।
ফল প্রকাশ উপলক্ষে দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ সাংবাদিকদের সামনে ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পরীক্ষাসমূহের ফল হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শেখ হাসিনার কাছে এসব ফল হস্তান্তর করেন। এ বছর পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫৫তম দিবসে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হলো।
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে এবার এইচএসসিতে পাসের হারের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে রাজশাহী। গতবার প্রথম অবস্থানে ছিল সিলেট বোর্ড। এবার এ বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ০১ শতাংশ।
পাসের হারে ঢাকা বোর্ডের অবস্থান দ্বিতীয়। গতবার পাসের হারে এ বোর্ডের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। এবার এ বোর্ডের পাসের হার ৭৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গতবার এ বোর্ডের পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ১০ শতাংশ। আটটি বোর্ডে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে যশোর বোর্ড।
এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ৮২৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৭৪ হাজার ২৬১ জন। সারাদেশে এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৭৬ হাজার ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ৬৮ হাজার ৮৬ জন পাস করে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৯১৬ জন ছাত্র এবং ২৮ হাজার ১৭০ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৭৬ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় এবার ৬২ হাজার ৬৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পাস করে ৫২ হাজার ৬৬২ জন। এর মধ্যে ৩৪ হাজার ৯৯ জন ছাত্র এবং ১৮ হাজার ৫৬৩ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭২৮ জন।
এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ হাজার ৩৮৫ জন। বরাবরের মতো এবারো সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে নটর ডেম কলেজ ১ হাজার ৫৮৬ জন। তবে সেরা কলেজ নির্ধারণে ৫টি মানদণ্ড থাকার কারণে সেরাদের তালিকায় প্রথম হয়েছে রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এবার নটর ডেম কলেজের অবস্থান ৫ম।
সেরা কলেজ নির্ধারণে ৫টি মানদণ্ড নির্ধারণ করায় ৭ শিক্ষা বোর্ডেই ক্যাডেট কলেজগুলো প্রথম হয়েছে। তবে ঢাকা বোর্ডে ৯৪ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট পেয়ে প্রথম হয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১ হাজার ৫০ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯১ জন।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ। এ কলেজের পয়েন্ট ৮৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ। এ কলেজের পয়েন্ট ৮৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এর পরে রয়েছে ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নটর ডেম কলেজ, রেসিডেনি্সয়াল মডেল কলেজ মোহাম্মদপুর, ঢাকা সিটি কলেজ, শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫-এর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। আবার কেউ পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে। গতবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৭১৪টি।
এবার এ সংখ্যা ৮৯২টি। গতবার শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৫টি। এবার এ সংখ্যা ২৪টি।
এবার জিপিএ-৫-এর দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ঢাকা বোর্ড, ১৭ হাজার ৭৮৬ জন। গতবার এ সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ২০ জন। জিপিএ-৫-এর সংখ্যায় গতবারের মতো এবারও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে জিপিএ-৫-এর সংখ্যা ৫ হাজার ৫৮৮ জন। গতবার এ সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬০২ জন। গতবারের চেয়ে জিপিএ-৫ বেশি পেলেও বোর্ডগুলোর মধ্যে এবারও জিপিএ-৫ সবচেয়ে কম পেয়েছে সিলেট বোর্ড। গতবার জিপিএ-৫ ছিল ৫৯৭ জন। এবার ৮৮৭ জন।
বোর্ডওয়ারি পাসের হার ঢাকা বোর্ড ৭৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ, রাজশাহী ৭৯ দশমিক ০১ শতাংশ, কুমিল্ল্না ৬৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যশোর ৬৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বরিশাল ৭১ দশমিক ১২ শতাংশ, সিলেট ৭৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং দিনাজপুর ৬৬ দশমিক ১৮ শতাংশ।
ঢাকা বোর্ড: পাসের হার ৭৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ
ঢাকা বোর্ড থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২ লাখ ৮ হাজার ১১২ জন। পাস করে ১ লাখ ৬০ হাজার ২৭ জন। এর মধ্যে ৮৪ হাজার ২৩৫ জন ছাত্র এবং ৭৫ হাজার ৭৯২ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ হাজার ৭৮৬ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে রয়েছে ৪৬ হাজার ১৮ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৩১ হাজার ৩১৪, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ২৮ হাজার ৩৭১, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ৩১ হাজার ৯৩২ জন এবং জিপিএ-১ থেকে ২ এর মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৬ জন।
রাজশাহী বোর্ড: পাসের হার ৭৯ দশমিক ০১ শতাংশ
রাজশাহী বোর্ড থেকে এবার ৭৬ হাজার ৬৮১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৬১ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৩২৫ জন ছাত্র এবং ২৯ হাজার ৫৪ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৫৮৮ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে রয়েছে ১৭ হাজার ৬০৫ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ১২ হাজার ৭৫৬, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ১১ হাজার ৬৩০, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১২ হাজার ৩৪৬ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ১ হাজার ৪৫৪ জন।
চট্টগ্রাম বোর্ড : পাসের হার ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৪৭ হাজার ৭৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩ হাজার ৯৩১ জন পাস করে। এর মধ্যে ১৭ হাজার ২৫৮ জন ছাত্র এবং ১৬ হাজার ৬৭৩ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৭৯৫ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৪০ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৬ হাজার ১৪২, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৬ হাজার ৬৬৫, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১০ হাজার ৫৮ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ১ হাজার ১৩৮ জন।
কুমিল্লা বোর্ড: পাসের হার ৬৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ
কুমিল্লা বোর্ড থেকে এবার ৬২ হাজার ৩৭৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করে ৪২ হাজার ৮৩৭ জন। এর মধ্যে ২২ হাজার ৪৩৭ জন ছাত্র এবং ২০ হাজার ৪০০ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩৮৯ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৮ হাজার ৩৪৮ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৮ হাজার ৭৪৪, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৯ হাজার ৪৫২, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১২ হাজার ৫৭৫ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ২ হাজার ৩২৯ জন।
যশোর বোর্ড: পাসের হার ৬৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ
যশোর বোর্ড থেকে এবার ৮৬ হাজার ৭৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ৫৪ হাজার ৫৫০ জন পাস করে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৭১৪ জন ছাত্র এবং ২৪ হাজার ৮৩৬ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৩৭০ জন। এছাড়া জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ১৬ হাজার ১২ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ১২ হাজার ৫৭৫ জন, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ১১ হাজার ২৮১, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১০ হাজার ২৪৮ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ১ হাজার ৬৪ জন।
বরিশাল বোর্ড: পাসের হার ৭১ দশমিক ১২ শতাংশ
বরিশাল বোর্ডের অধীনে এবার ৩৫ হাজার ৮০৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ২৫ হাজার ৪৬৪ জন। এর মধ্যে ১২ হাজার ৬৫১ জন ছাত্র এবং ১২ হাজার ৮১৩ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১০ জন। এছাড়া জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৬ হাজার ৪১০ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৫ হাজার ৩১০, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৫ হাজার ২৭৫, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ৬ হাজার ৩৭৩ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ৭৮৬ জন।
সিলেট বোর্ড: পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ
সিলেট বোর্ডের অধীনে এবার ৩০ হাজার ৮৯৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করে ২৩ হাজার ৩৮১ জন। এর মধ্যে ১১ হাজার ১৭২ জন ছাত্র এবং ১২ হাজার ২০৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮৭ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৩ হাজার ৮৩২ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৪ হাজার ৬৮৬, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৬৮, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ৭ হাজার ১৪৬ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ১ হাজার ৬২ জন।
দিনাজপুর বোর্ড: পাসের হার ৬৬ দশমিক ১৮ শতাংশ
দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে এবার ৭৩ হাজার ৫৬৮ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করে ৪৮ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৫৩০ জন ছাত্র এবং ২৪ হাজার ১৫৫ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ২৬০ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৯ হাজার ৮৫৬ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৫৪, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ১০ হাজার ৩৩৭, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১৪ হাজার ৪৫২ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ২ হাজার ৩৮৬ জন।
Source:Ittefaq
