Archive for ‘অর্থ-ও-বাণিজ্য’

July 4th, 2011

 চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০৯৮ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়.

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সদ্যসমাপ্ত ২০১০-১১ অর্থবছরে ২০ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা ১৯ হাজার ২৬৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ৯৮ কোটি টাকা বা পাঁচ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি।
এর আগের ২০০৯-১০ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৬ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে আগের বছরের তুলনায় তিন হাজার ৫৬০ কোটি টাকা বা ২১ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।
কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী অর্থবছরে জ্বালানি তেল, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, সাধারণ পণ্যসামগ্রী, ভোজ্যতেল ও গাড়ি আমদানি থেকে বড় অংকের রাজস্ব আদায় হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ইতিহাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এত বেশি রাজস্ব আর কখনোই আদায় হয়নি।
এ প্রসঙ্গে কাস্টম হাউসের কমিশনার সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া গত শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং কাস্টম হাউসের সবার ‘টিম ওয়ার্কের’ ফলে রাজস্ব আদায়ে এই সফলতা এসেছে।
জানা গেছে, রাজস্ব ফাঁকি রোধে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে কার্যক্রম জোরদার করে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বকেয়া রাজস্ব আদায়, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে শুল্ক মামলার সংখ্যা কমিয়ে আনা, সঠিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং তদারকি ব্যবস্থা যথাযথ হওয়ার ফলে রাজস্ব আদায়ে গতি এসেছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে গত ১১ বছরে এ নিয়ে মাত্র পাঁচবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্য থেকে রাজস্ব আদায় করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।

July 4th, 2011

 অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন

২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টরস ফোরামের নেতারা।
আজ সোমবার সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল মান্নান ও সদস্যসচিব রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা পুঁজিবাজারের চরম মন্দাভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য এবং বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’ তাঁরা মনে করেন, বিষয়টি পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
অপ্রদর্শিত অর্থ বন্ডে বিনিয়োগের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগসহ ২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য নানা ছাড় দেশের শিল্পোন্নয়নে গতি বৃদ্ধি করবে বলে সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে আশা প্রকাশ করা হয়।

June 16th, 2011

সপ্তাহের শেষ দিনেও বাজারে দরপতন

দরপতন দিয়েই পুঁজিবাজারে সপ্তাহটি শুরু হয়েছিল। আর শেষও হয়েছে দরপতন দিয়ে। এর ফলে সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই দরপতন ঘটেছে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)।
২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর পুরো সপ্তাহটি ছিল বেশ আলোচিত। প্রথম কার্যদিবস রোববারই বাজেট-পরবর্তী বিনিয়োগকারীদের হতাশার প্রতিফলন ঘটে বাজারে। ওই দিন বড় ধরনের দরপতন ঘটে বাজারে। রোববার ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ৩১৩ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সোমবার সেখানে সূচকের কিছুটা উল্লম্ফন দেখা যায়। তবে পরের তিন কার্যদিবসের প্রতিদিনই সূচক একটু একটু করে কমেছে।
সপ্তাহের শেষ দিনে এসে গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইর সাধারণ সূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৭৭৬ পয়েন্টে। যদিও দিনভর ডিএসইর সাধারণ সূচক বেশ কয়েক দফা ওঠানামা করেছে। লেনদেন শুরুর প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যেই ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৮৫৫ পয়েন্টে। সেটিই ছিল সূচকের গতকালের সর্বোচ্চ অবস্থান।
সূচক কমেছে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৩৪ পয়েন্টে।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত, নতুন বাজেটে শেয়ারবাজারের জন্য আলাদা কোনো ঘোষণা না থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে এর প্রতিফলনও বাজারে পড়েছে।
তবে সপ্তাহের চার কার্যদিবসে বাজারে দরপতনের সুযোগ নিয়েছেন অনেক বিনিয়োগকারী। বাজেট ঘোষণার আগে যেসব বিনিয়োগকারী বাজার থেকে টাকা তুলে নিয়েছিলেন, পতনের কারণে তাঁরা আবারও নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত।
এদিকে গতকাল দুই বাজারেই লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। তবে এ দিন ঢাকার বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও চট্টগ্রামে তা কমেছে।
ডিএসইতে গতকাল ২৫৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১২৬টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ১১১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ৪৮৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১১ কোটি টাকা বেশি।
সিএসইতে গতকাল ১৭৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৯৮টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৬১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে চট্টগ্রামের বাজারে ৬২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ কোটি টাকা কম।
বাজারচিত্র থেকে দেখা যায়, দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় সূচকের উত্থান-পতন ঘটলেও শেষ দুই ঘণ্টায় মূল্যসূচক ছিল নিম্নমুখী।